Loading

অপরূপ নেপাল দর্শন - চিতওয়ান, লুম্বীনি, পোখরা, কাঠমান্ডু ।

Chitwan - 1 Nts Kaski - 2 Nts Kapilvastu - 2 Nts Kathmandu - 3 Nts
Duration

10 Nts / 11 Days

Hotels
Hotels
Sightseeing
Sightseeing
Meals
Meals
Raxaul ( RLX) Railway Station, Bihar
11 August 2026
Price Summary
Adult 0 × 0 0
Extra Adult 0 × 0 0
Child 0 × 0 0
GST @ 5% 0
Grand Total ₹0.00

Tour Highlights

প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য, হিমালয়ের মহিমান্বিত হাতছানি, বুদ্ধের জন্মভূমির আধ্যাত্মিক আবহ, প্রাচীন মন্দির ও ঐতিহাসিক স্থাপত্য—সবকিছুকে একসঙ্গে অনুভব করার এক অনন্য ভ্রমণ অভিজ্ঞতা। নেপালের এই বিশেষ সফরে থাকছে বন্যপ্রাণী, পাহাড়, হ্রদ, ধর্মীয় তীর্থস্থান, ঐতিহ্যবাহী শহর এবং মনোরম পাহাড়ি পথের এক অপূর্ব সমন্বয়।

🐘 চিতওয়ান – জঙ্গল ও বন্যপ্রাণীর রোমাঞ্চ : নেপালের বিখ্যাত চিতওয়ান ন্যাশনাল পার্ক-এ উপভোগ করুন রোমাঞ্চকর জঙ্গল সাফারি। সবুজ অরণ্যের মাঝে জিপ সাফারি ও হাতি সাফারির মাধ্যমে কাছ থেকে দেখার সুযোগ মিলতে পারে একশৃঙ্গ গণ্ডার, হরিণ, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এবং নেপালের সমৃদ্ধ বন্যপ্রাণী। প্রকৃতি ও অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীদের জন্য চিতওয়ান হবে এই সফরের অন্যতম আকর্ষণ।

🪷 লুম্বিনী – বুদ্ধের জন্মভূমির আধ্যাত্মিক আবহ : লুম্বিনী, বিশ্বের অন্যতম পবিত্র বৌদ্ধ তীর্থস্থান এবং সিদ্ধার্থ গৌতমের জন্মস্থান। এখানে দর্শন করুন ঐতিহাসিক মায়াদেবী মন্দির, অশোক স্তম্ভ এবং বিভিন্ন দেশের নির্মিত অপূর্ব বৌদ্ধ মঠ ও মন্দির। শান্ত, নির্মল ও আধ্যাত্মিক পরিবেশে লুম্বিনী আপনাকে দেবে এক গভীর প্রশান্তির অনুভূতি।

🏔️ পোখরা – পাহাড়, লেক ও অ্যাডভেঞ্চারের শহর : নেপালের অন্যতম সুন্দর পর্যটনকেন্দ্র পোখরা। চারপাশের পাহাড় ও সবুজ উপত্যকার মাঝে ফেওয়া লেকের মনোরম সৌন্দর্য উপভোগ করুন। দর্শন করুন ডেভিস ফলস, গুপ্তেশ্বর মহাদেব গুহা, বিন্ধ্যবাসিনী মন্দির এবং ওয়ার্ল্ড পিস প্যাগোডা। অ্যাডভেঞ্চারপ্রেমীরা চাইলে উপভোগ করতে পারেন বোটিং, প্যারাগ্লাইডিং, জিপলাইন-সহ বিভিন্ন রোমাঞ্চকর কার্যকলাপ।

🛕 কাঠমান্ডু – ইতিহাস, ঐতিহ্য ও সংস্কৃতির প্রাণকেন্দ্র : নেপালের ঐতিহ্যবাহী রাজধানী কাঠমান্ডু আপনাকে পরিচয় করিয়ে দেবে শতাব্দীপ্রাচীন সংস্কৃতি, স্থাপত্য ও ধর্মীয় ঐতিহ্যের সঙ্গে। দর্শন করুন পবিত্র পশুপতিনাথ মন্দির, স্বয়ম্ভুনাথ স্তূপ (বানর মন্দির), বৌদ্ধনাথ স্তূপ এবং ঐতিহাসিক কাঠমান্ডু দরবার স্কয়ার। প্রাচীন মন্দির, স্তূপ ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের পাশাপাশি উপভোগ করুন শহরের প্রাণবন্ত পরিবেশ।

🌄 নাগরকোট – হিমালয়ের অপূর্ব সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত : কাঠমান্ডু উপত্যকার অন্যতম মনোরম পাহাড়ি গন্তব্য নাগরকোট। এখান থেকে আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে হিমালয়ের তুষারাবৃত পর্বতশ্রেণির অপরূপ দৃশ্য এবং মনোমুগ্ধকর সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত উপভোগ করা যায়। প্রকৃতির শান্ত পরিবেশে কিছুটা সময় কাটিয়ে নিজেকে নতুন করে আবিষ্কার করার এক চমৎকার সুযোগ।

🚗 দৃশ্যমান রোড ট্রিপ – পথই যখন গন্তব্য : এই সফরের অন্যতম আকর্ষণ নেপালের মনোরম রোড জার্নি। পাহাড়ি আঁকাবাঁকা রাস্তা, সবুজ উপত্যকা, নদী, ছোট ছোট পাহাড়ি গ্রাম এবং দূরে দাঁড়িয়ে থাকা হিমালয়ের দৃশ্য দেখতে দেখতে প্রতিটি যাত্রাপথ হয়ে উঠবে এক একটি স্মরণীয় অভিজ্ঞতা।

🕉️ সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা : হিন্দু ও বৌদ্ধ ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ নেপালের প্রাচীন সংস্কৃতি, ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান, ঐতিহাসিক স্থাপত্য এবং স্থানীয় মানুষের আন্তরিক আতিথেয়তার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার সুযোগ থাকবে এই সফরে। মন্দিরের ঘণ্টাধ্বনি থেকে বৌদ্ধ স্তূপের শান্ত পরিবেশ—নেপাল আপনাকে দেবে এক গভীর সাংস্কৃতিক ও আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা।

✨ এক সফরে নেপালের বৈচিত্র্যের সম্পূর্ণ স্বাদ : জঙ্গল থেকে পাহাড়, লেক থেকে উপত্যকা, বুদ্ধের জন্মভূমি থেকে প্রাচীন মন্দির—নেপালের প্রকৃতি, ইতিহাস, সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিকতা ও অ্যাডভেঞ্চারকে একসঙ্গে উপভোগ করার জন্য এই সফর হতে পারে আপনার পরবর্তী স্মরণীয় ভ্রমণ।
যারা আমাদের এই নেপাল ভ্রমণ গ্রুপের সঙ্গী হতে চান তারা অতিসত্বর আমাদের সাথে যোগাযোগ করে আপনার সিটটি নির্দিষ্ট করুন। বুকিং সংরক্ষণ বাবদ এখন আমরা মাথাপিছু শুধুমাত্র ১০০০/- টাকা করে নেব। বুকিং নিশ্চিত-করণ করতে ভ্রমণ তারিখের ৪ মাস আগে মাথাপিছু ৪,০০০/- টাকা করে দিতে হবে। বাকি টাকা ভ্রমণ তারিখের ৭ দিন আগে দিতে হবে।
Day 1
🚆 হাওড়া থেকে রাক্সৌল এর উদ্দেশ্যে ট্রেন যাত্রা ।
🚆 হাওড়া থেকে রাক্সৌল এর উদ্দেশ্যে ট্রেন যাত্রা ।

আজ আমাদের নেপাল ভ্রমণের শুভ সূচনা। বিকেল ৩:৫০ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে মিথিলা এক্সপ্রেস (ট্রেন নং ১৩০২১)-এ চড়ে রাক্সৌলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করব।

ট্রেনের জানালা দিয়ে বাংলার পরিচিত দৃশ্য পেরিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলবে আমাদের নেপাল অভিযানের পথ। সারারাত ট্রেনেই আমাদের যাত্রা চলবে এবং রাতটি ট্রেনেই অতিবাহিত হবে।

রাত্রিবাস: ট্রেনে

Day 2
🐘 রাক্সৌল ➜ বীরগঞ্জ ➜ চিতওয়ানের উদ্দেশ্যে যাত্রা ।
🐘 রাক্সৌল ➜ বীরগঞ্জ ➜ চিতওয়ানের উদ্দেশ্যে যাত্রা ।

সকালে প্রায় ৯:৫০ মিনিটে রাক্সৌল স্টেশনে পৌঁছব। স্টেশন থেকে বেরিয়ে প্রাতঃরাশ সেরে প্রয়োজনীয় সীমান্ত সংক্রান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে ভারত-নেপাল সীমান্ত পার হয়ে বীরগঞ্জ প্রবেশ করব।

বীরগঞ্জ থেকে আমাদের নির্ধারিত গাড়িতে চিতওয়ানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হবে। বীরগঞ্জ থেকে চিতওয়ানের দূরত্ব প্রায় ১৫৫ কিমি, সময় লাগতে পারে প্রায় ৪ ঘণ্টা।

চিতওয়ানে পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন ও দুপুরের মধ্যাহ্নভোজন সেরে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নেব। বিকেলে সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী উপভোগ করতে পারেন চিতওয়ান জঙ্গল এলিফ্যান্ট সাফারি।

জঙ্গলের সবুজ পরিবেশ এবং বন্যপ্রাণীর কাছাকাছি যাওয়ার এই অভিজ্ঞতা আপনার নেপাল ভ্রমণের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে থাকবে।

রাত্রিবাস: চিতওয়ান

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 3
🌿 চিতওয়ান থেকে লুম্বীনীর উদ্দেশ্যে যাত্রা ।
🌿 চিতওয়ান থেকে লুম্বীনীর উদ্দেশ্যে যাত্রা ।

সকালে প্রাতঃরাশ সেরে বেরিয়ে পড়ব চিতওয়ান ন্যাশনাল পার্কের জিপ সাফারি-র উদ্দেশ্যে। সাফারির সময় জঙ্গলের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের পাশাপাশি হরিণ, গণ্ডার, বিভিন্ন প্রজাতির পাখি এবং সৌভাগ্য হলে অন্যান্য বন্যপ্রাণী দেখার সুযোগ থাকবে।

সাফারি শেষে হোটেলে ফিরে এসে মধ্যাহ্নভোজন সেরে গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান লুম্বিনীর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করব।

চিতওয়ান থেকে লুম্বিনীর দূরত্ব প্রায় ১৭৫ কিমি এবং রাস্তার পরিস্থিতি অনুযায়ী সময় লাগতে পারে প্রায় ৬ ঘণ্টা।

বিকেলের দিকে লুম্বিনী পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন করব। সন্ধ্যায় সময় থাকলে হালকা স্থানীয় এলাকা ঘুরে দেখতে পারেন।

রাত্রিবাস: লুম্বিনী

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 4
🛕 লুম্বিনী দর্শন ও কপিলাবস্তু ভ্রমণ।
🛕 লুম্বিনী দর্শন ও কপিলাবস্তু ভ্রমণ।

আজকের দিনটি সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করা হবে লুম্বিনীর ঐতিহাসিক ও বৌদ্ধ ধর্মীয় স্থানগুলি দর্শনের জন্য।

সকালে প্রাতঃরাশ সেরে বেরিয়ে পড়ব লুম্বিনী দর্শনে। আজ আমরা পরিদর্শন করব—

মায়াদেবী মন্দির – গৌতম বুদ্ধের জন্মস্থান
লুম্বিনী সাংস্কৃতিক ও বৌদ্ধ অঞ্চল
মায়ানমার গোল্ডেন টেম্পল
থাই মনেস্ট্রি
দ্য গ্রেট ড্রিগুং কাগ্যু লোটাস স্তূপ
লুম্বিনী বৌদ্ধ বিশ্ববিদ্যালয়
ওয়ার্ল্ড পিস প্যাগোডা
বিভিন্ন আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ মঠ ও মনেস্ট্রি

দুপুরে মধ্যাহ্নভোজন সেরে আমরা যাব কপিলাবস্তু দর্শনে। গৌতম বুদ্ধের শৈশব ও প্রারম্ভিক জীবনের সঙ্গে সম্পর্কিত এই ঐতিহাসিক অঞ্চলটি নেপাল ভ্রমণের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আকর্ষণ।

দর্শন শেষে সন্ধ্যায় লুম্বিনীর হোটেলে ফিরে আসব।

রাত্রিবাস: লুম্বিনী।

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 5
🏔️ লুম্বীনী থেকে পোখরার উদ্দেশ্যে যাত্রা ।
🏔️ লুম্বীনী থেকে পোখরার উদ্দেশ্যে যাত্রা ।

সকালে প্রাতঃরাশ সেরে আজ আমাদের যাত্রা শুরু হবে নেপালের অন্যতম সুন্দর শহর পোখরার উদ্দেশ্যে।

লুম্বিনী থেকে পোখরার দূরত্ব প্রায় ২২৫ কিমি এবং রাস্তার পরিস্থিতি অনুযায়ী সময় লাগতে পারে প্রায় ৭ ঘণ্টা।

পথে সময় ও রাস্তার পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ও ভিউ পয়েন্ট দেখার সুযোগ থাকবে, যেমন -
✨ কুঞ্জ পার্ক
✨ তিলোত্তমা পার্ক
✨ মানিমুকুন্দ সেন পার্ক
✨ ভূতখোলা ভিউ পয়েন্ট
✨ ভূতখোলা ঝর্ণা
✨ মরামকোট ভিউ পয়েন্ট
✨ পোখরা ভিউ পয়েন্ট

পথিমধ্যে মধ্যাহ্নভোজন সেরে বিকেলের দিকে পোখরায় পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন করব।

সন্ধ্যায় সময় থাকলে পোখরার বিখ্যাত লেকসাইড এলাকা ঘুরে দেখতে পারেন এবং ফেওয়া লেকের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন।

রাত্রিবাস: পোখরা

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 6
🌊 দেখে নেব পোখরার সমস্ত স্থানীয় দর্শনীয় স্থান ।
🌊  দেখে নেব পোখরার সমস্ত স্থানীয় দর্শনীয় স্থান ।

আজকের দিনটি পোখরার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জনপ্রিয় দর্শনীয় স্থানগুলির জন্য নির্ধারিত।

সকালে প্রাতঃরাশ সেরে বেরিয়ে পড়ব পোখরা সাইটসিয়িং-এর উদ্দেশ্যে।

আজ আমরা দর্শন করব -
✨ ফেওয়া লেক
✨ বসুন্ধরা পার্ক
✨ ডেভিডস ফলস
✨ গুপ্তেশ্বর মহাদেব গুহা
✨ ব্যাট কেভ
✨ ওয়ার্ল্ড পিস প্যাগোডা
✨ বিন্ধ্যবাসিনী মন্দির
এছাড়াও সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী পোখরার অন্যান্য স্থানীয় আকর্ষণ দেখার সুযোগ থাকবে।

সন্ধ্যায় পোখরার মনোরম লেকসাইড এলাকায় অবসর সময় কাটাতে পারেন। পাহাড়ের কোলে ফেওয়া লেকের সৌন্দর্য উপভোগ করে দিনটি শেষ হবে।

রাত্রিবাস: পোখরা

🍳 Breakfast 🍽 Dinner
Day 7
🏔️ পোখরা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে যাত্রা । পাঠিমধ্যে মনকামনা মন্দির দর্শন।
🏔️  পোখরা থেকে কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে যাত্রা । পাঠিমধ্যে মনকামনা মন্দির দর্শন।

সকালে প্রাতঃরাশ সেরে আমরা নেপালের রাজধানী কাঠমান্ডুর উদ্দেশ্যে রওনা দেব।

পোখরা থেকে কাঠমান্ডুর দূরত্ব প্রায় ২০০ কিমি এবং রাস্তার পরিস্থিতি অনুযায়ী সময় লাগতে পারে প্রায় ৭ ঘণ্টা।

পথে আমরা দর্শন করব নেপালের বিখ্যাত মনকামনা মন্দির। কেবল কারে করে পাহাড়ের উপরে অবস্থিত মন্দিরে পৌঁছানোর অভিজ্ঞতাও হবে এই যাত্রার অন্যতম আকর্ষণ।

মনকামনা মন্দির দর্শন শেষে মধ্যাহ্নভোজন সেরে আবার কাঠমান্ডুর পথে যাত্রা করব।

বিকেলের দিকে কাঠমান্ডু পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন করব।

রাত্রিবাস: কাঠমান্ডু

🍳 Breakfast 🍽 Dinner
Day 8
🛕 দেখে নেব কাঠমান্ডুর সমস্ত স্থানীয় দর্শনীয় স্থান ।
🛕  দেখে নেব কাঠমান্ডুর সমস্ত স্থানীয় দর্শনীয় স্থান ।

আজকের দিনটি কাঠমান্ডুর ঐতিহাসিক, ধর্মীয় ও সাংস্কৃতিক স্থানগুলি দর্শনের জন্য নির্ধারিত।

সকালে প্রাতঃরাশ সেরে বেরিয়ে পড়ব কাঠমান্ডু সাইটসিয়িং-এর উদ্দেশ্যে।

আজ আমরা দর্শন করব -
✨ পশুপতিনাথ মন্দির
✨ বৌদ্ধনাথ স্তূপ
✨ স্বয়ম্ভুনাথ স্তূপ
✨ বুঢানীলকণ্ঠ মন্দির
✨ গুহ্যেশ্বরী মন্দির
এছাড়াও সময় অনুযায়ী কাঠমান্ডু শহরের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখা হবে।

সন্ধ্যায় হোটেলে ফিরে এসে বিশ্রাম।

রাত্রিবাস: কাঠমান্ডু

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 9
🌅 কাঠমান্ডু থেকে ভক্তপুর, সিদ্ধপখ্রি এবং নাগরকোটের উদ্দেশ্যে যাত্রা ।
🌅  কাঠমান্ডু থেকে ভক্তপুর, সিদ্ধপখ্রি এবং নাগরকোটের উদ্দেশ্যে যাত্রা ।

সকালে প্রাতঃরাশ সেরে কিছুটা সময় কাঠমান্ডুর স্থানীয় মার্কেট ও শপিংয়ের জন্য রাখা যেতে পারে। নেপালি হস্তশিল্প, পোশাক, স্মারক সামগ্রী ও অন্যান্য স্থানীয় পণ্য কেনাকাটার সুযোগ থাকবে।

দুপুরে মধ্যাহ্নভোজনের পর আমরা রওনা দেব ভক্তপুর-এর উদ্দেশ্যে।

আজকের দর্শনীয় স্থানগুলির মধ্যে থাকবে -
✨ ভক্তপুর
✨ সিদ্ধপোখরি
✨ নাগরকোট
ভক্তপুরের ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও প্রাচীন নেপালি সংস্কৃতির স্বাদ নেওয়ার পর আমরা যাব নাগরকোটে।

সন্ধ্যায় আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে নাগরকোট থেকে মনোরম সূর্যাস্ত এবং হিমালয়ের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করা যাবে।

এরপর কাঠমান্ডুতে ফিরে আসব।

রাতের সময় ইচ্ছা থাকলে কাঠমান্ডুর বিখ্যাত ক্যাসিনো ও নাইটলাইফ উপভোগ করার সুযোগ থাকবে।

রাত্রিবাস: কাঠমান্ডু

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 10
🚆 কাঠমান্ডু থেকে রাক্সৌলের উদ্দেশ্যে যাত্রা ।
🚆  কাঠমান্ডু থেকে রাক্সৌলের উদ্দেশ্যে যাত্রা ।

আজ আমাদের নেপাল সফরের শেষ দিন।

সকালে প্রাতঃরাশ সেরে কিছুটা সময় কাঠমান্ডুর স্থানীয় মার্কেটে কেনাকাটার জন্য রাখা হবে। এরপর মধ্যাহ্নভোজন সেরে হোটেল থেকে চেক-আউট করব।

পরবর্তীতে গাড়িতে করে রাক্সৌলের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হবে। নেপাল-ভারত সীমান্ত অতিক্রম করে রাক্সৌল স্টেশনে পৌঁছব।

নির্ধারিত ট্রেনে রাক্সৌল থেকে কলকাতার উদ্দেশ্যে আমাদের প্রত্যাবর্তন যাত্রা শুরু হবে।

সারারাত ট্রেনেই আমাদের যাত্রা চলবে।

রাত্রিবাস: ট্রেনে

🍳 Breakfast 🍛 Lunch
Day 11
🏠 কলকাতা প্রত্যাবর্তন।
🏠  কলকাতা প্রত্যাবর্তন।

সকালে কলকাতায় পৌঁছব।

এর সঙ্গে শেষ হবে আমাদের চিতওয়ান – লুম্বিনী – পোখরা – কাঠমান্ডু-র দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নেপাল সফর।

নেপালের পাহাড়, নদী, জঙ্গল, বৌদ্ধ সংস্কৃতি, মন্দির, ঐতিহাসিক স্থাপত্য এবং অসাধারণ প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের অসংখ্য স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে আমরা যে যার গন্তব্যের উদ্দেশ্যে ফিরে যাব।

❤️ নেপাল ভ্রমণের স্মৃতি থাকুক আজীবন।

ধন্যবাদ — Manoranjan Holidays-এর সঙ্গে ভ্রমণের জন্য।

Package Inclusions

সমস্ত জায়গায় ডিলাক্স হোটেলে থাকার ব্যবস্থাপনা।
পরিবার অনুযায়ী হোটেল রুমে থাকার ব্যবস্থা।
স্লিপার ক্লাস ট্রেন টিকিটে পরিবহন।
প্রাতঃরাশ, দুপুরের খাবার, রাতের খাবার।
উপরের প্রোগ্রাম অনুযায়ী সমস্ত দর্শনীয় স্থান।
টোল ট্যাক্স পার্কিং, ড্রাইভার ভাতা, সমস্ত কর, পরিষেবা চার্জ।।

Package Exclusions

AC Class ট্রেন টিকিটের এক্সট্রা খরচ ও ট্রেনের খাবার খরচ।
যে কোনো ধরনের রাইডিং, কেবিল কার, বোট রাইডিং, রাফটিং এবং এন্ট্রি ফি যদি কিছু লাগে।
কোন পার্ক, টেম্পলে ঢোকার এন্ট্রি ফি, ক্যামেরা চার্জ এবং কুলি চার্জ।
অক্সিজেন যদি লাগে তার খরচ।
Mineral Water, Soft এবং Hard Drinks.
Package এ উল্লেখ নেই এমন কোনো খরচ।

Booking Policy

sdfaf

Cancellation Policy

AC Class ট্রেন টিকিটের এক্সট্রা খরচ ও ট্রেনের খাবার খরচ। যে কোনো ধরনের রাইডিং, কেবিল কার, বোট রাইডিং, রাফটিং এবং এন্ট্রি ফি যদি কিছু লাগে। কোন পার্ক, টেম্পলে ঢোকার এন্ট্রি ফি, ক্যামেরা চার্জ এবং কুলি চার্জ। অক্সিজেন যদি লাগে তার খরচ। Mineral Water, Soft এবং Hard Drinks. Package এ উল্লেখ নেই এমন কোনো খরচ।

Terms & Conditions

বি . দ্র : প্রাকৃতিক কারণে বা পাহাড়ি কোনো অবস্থার অবনতির কারণে ভ্রমণসূচি পরিবর্তন করা হতে পারে