ভুটানের রাজকীয় সৌন্দর্যের সন্ধানে - ফুন্টশোলিং, থিম্পু, পুনাখা ও পারো
10 Nts / 11 Days
| Adult | 0 | × | 0 | 0 |
|---|---|---|---|---|
| Extra Adult | 0 | × | 0 | 0 |
| Child | 0 | × | 0 | 0 |
| GST @ 5% | 0 | |||
| Grand Total | ₹0.00 | |||
Tour Highlights
মনোরঞ্জন হলিডেজ নিয়ে আসছে এক বিশেষ কলকাতা থেকে কলকাতা ৯ রাত্রি / ১০ দিনের গ্রুপ ট্যুর, যেখানে আমাদের অভিজ্ঞ ট্যুর ম্যানেজারের সঙ্গে দলবদ্ধভাবে ঘুরে দেখবেন ফুন্টশোলিং, থিম্পু, পুনাখা ও পারো।
এই ভ্রমণে থাকবে ভুটানের রাজধানী থিম্পুর ঐতিহ্য, দোচুলা পাসের পাহাড়ি সৌন্দর্য, পুনাখার ঐতিহাসিক জং, পারোর অপূর্ব উপত্যকা এবং জীবনের অন্যতম স্মরণীয় অভিজ্ঞতা—পাহাড়ের গায়ে অবস্থিত বিখ্যাত টাইগার্স নেস্ট মঠ।
এক সফরেই ভুটানের একাধিক রূপ—
🇧🇹 ফুন্টশোলিংয়ের সীমান্ত শহর,
🏙️ থিম্পু শহরের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতি,
🛕 মেমোরিয়াল চোরতেন
🏔️ দোচুলা পাসের হিমালয়,
🙏 বুদ্ধা পয়েন্ট
🏯 তাশিচো জং
🌿 পুনাখার ঐতিহাসিক জং ও উপত্যকা,
🌉 পুনাখা সাসপেনশন ব্রিজ
🏘️ ভুটানের ঐতিহ্যবাহী গ্রাম
🏞️ ফোবজিখার সবুজ পাহাড়ি সৌন্দর্য,
🏞️ পারো উপত্যকার ঐতিহ্যবাহী পরিবেশ,
🏯 পারো জং ও কিচু লাখাং।
🐅 পাহাড়ের গায়ে টাইগার্স নেস্ট মঠ।
🇧🇹 ভুটানের ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচয়
সব মিলিয়ে এটি শুধুমাত্র একটি ভ্রমণ নয় — এটি ভুটানের প্রকৃতি, সংস্কৃতি, ইতিহাস ও আধ্যাত্মিকতার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার এক সম্পূর্ণ অভিজ্ঞতা।
🇧🇹 ভুটানের রাজকীয় সৌন্দর্যের সন্ধানে — চলুন, হিমালয়ের কোলে ভুটানের সঙ্গে কিছু সুন্দর স্মৃতি তৈরি করে আসি।
আজ সন্ধ্যায় আমরা সকলে নির্দিষ্ট সময়ে কলকাতা / শিয়ালদহ রেলওয়ে স্টেশনে উপস্থিত হবো। আমাদের অভিজ্ঞ ট্যুর ম্যানেজার সকল পর্যটককে স্বাগত জানিয়ে ভ্রমণ সম্পর্কে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবেন।
এরপর সকলে দলবদ্ধভাবে নির্ধারিত ট্রেনে উত্তরবঙ্গের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো। নতুন বন্ধুদের সঙ্গে পরিচয়, গল্প, আড্ডা এবং আনন্দের মধ্য দিয়ে শুরু হবে আমাদের বহু প্রতীক্ষিত ভুটান ভ্রমণ।
রাত্রিবাস: 🚆 ট্রেনে।
সকালে নির্ধারিত সময়ে হাসিমারা / আলিপুরদুয়ার রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছানোর পর আমাদের গাড়ি প্রস্তুত থাকবে। সকল পর্যটককে নিয়ে শুরু হবে ভুটানের সীমান্ত শহর ফুন্টশোলিংয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হবে।
হাসিমারা থেকে অল্প সময়ের মধ্যেই পৌঁছে যাবো ভারত–ভুটান সীমান্তে। প্রয়োজনীয় প্রবেশ সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করার পর আমরা প্রবেশ করবো ভুটানের শান্ত ও পরিচ্ছন্ন শহর ফুন্টশোলিংয়ে।
হোটেলে চেক-ইন করে দুপুরের খাবার ও কিছুটা বিশ্রাম নেবো।
বিকেলে সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী ফুন্টশোলিংয়ের আশপাশে ঘুরে দেখে নেব । ভুটানের প্রথম দিনের পরিবেশ, স্থানীয় বাজার এবং সীমান্ত শহরের সৌন্দর্য উপভোগ করব।
সন্ধ্যায় হোটেলে ফিরে রাতের খাবার সেরে বিশ্রাম।
🏨 রাত্রিবাস : ফুন্টশোলিং।
সকালের প্রাতঃরাশের পর হোটেল থেকে চেক-আউট করে আমরা রওনা দেবো ভুটানের রাজধানী থিম্পুর উদ্দেশ্যে। আজ থেকেই শুরু হবে আমাদের প্রকৃত পাহাড়ি যাত্রা।
পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা, সবুজ অরণ্য, পাহাড়ি নদী ও উপত্যকার সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে আমরা ধীরে ধীরে এগিয়ে যাবো থিম্পুর দিকে। পথে প্রয়োজন অনুযায়ী নির্ধারিত স্থানে বিরতি নিয়ে পাহাড়ি প্রকৃতি উপভোগ করা হবে।
দুপুরের দিকে থিম্পু পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন করবো। দুপুরের খাবার ও কিছুটা বিশ্রামের পর বিকেলে সময় থাকলে ঘুরে আসবো থিম্পুর স্থানীয় বাজার ও আশপাশের এলাকা থেকে।
সন্ধ্যায় থিম্পুর শান্ত ও পরিচ্ছন্ন পাহাড়ি পরিবেশ উপভোগ করে হোটেলে ফিরে আসবো।
🏨 রাত্রিবাস: থিম্পু।
আজকের দিনটি সম্পূর্ণভাবে থিম্পু-র স্থানীয় দর্শনের জন্য। সকালের প্রাতঃরাশের পর আমরা দলবদ্ধভাবে বেরিয়ে পড়বো।
আজকে আমরা দেখবো -
🙏 বুদ্ধা পয়েন্ট : পাহাড়ের উপরে অবস্থিত বিশাল বুদ্ধমূর্তি এবং এখান থেকে থিম্পু উপত্যকার মনোরম দৃশ্য উপভোগ করবো।
🕊️ মেমোরিয়াল চোরতেন : থিম্পুর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় স্থাপনা।
🦌 মোটিথাং টাকিন রিজার্ভ : ভুটানের জাতীয় প্রাণী টাকিন দেখার সুযোগ থাকবে।
🏯 তাশিচো জং : ভুটানের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্য ও সংস্কৃতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নিদর্শন।
🧵 ঐতিহ্যবাহী হস্তশিল্প কেন্দ্র : ভুটানের স্থানীয় শিল্প ও হস্তশিল্প সম্পর্কে জানার সুযোগ থাকবে।
🛍️ থিম্পু স্থানীয় বাজার : স্থানীয় সামগ্রী, পোশাক ও ভুটানের ঐতিহ্যবাহী পণ্য দেখার ও কেনাকাটার সুযোগ থাকবে।
সন্ধ্যায় থিম্পু শহরের সুন্দর পরিবেশ উপভোগ করে হোটেলে ফিরে আসবো।
🏨 রাত্রিবাস: থিম্পু।
সকালের প্রাতঃরাশের পর হোটেল থেকে চেক-আউট করে আমরা রওনা দেবো পুনাখার উদ্দেশ্যে।
পথে অতিক্রম করবো ভুটানের বিখ্যাত দোচুলা পাস। উচ্চ পাহাড়ি পথে অবস্থিত দোচুলা পাসে পৌঁছে চারপাশের অপূর্ব পাহাড়ি পরিবেশ উপভোগ করবো। দোচুলায় অবস্থিত ১০৮টি চোরতেন দর্শন করে আবার শুরু হবে আমাদের যাত্রা। আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে এখান থেকে হিমালয়ের তুষারাবৃত পর্বতশ্রেণির মনোরম দৃশ্য দেখা যেতে পারে।
পাহাড় ও সবুজ উপত্যকার সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে পৌঁছে যাবো পুনাখায়। হোটেলে চেক-ইন করে দুপুরের খাবার ও কিছুটা বিশ্রাম।
বিকেলে সময় থাকলে পুনাখা উপত্যকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করবো।
🏨 রাত্রিবাস: পুনাখা।
সকালের প্রাতঃরাশের পর আমরা গাড়িতে করে রওনা দেবো ফোবজিখা উপত্যকার উদ্দেশ্যে। আজকের দিনটি থাকবে ভুটানের অন্যতম সুন্দর পাহাড়ি উপত্যকা ফোবজিখা ও গাংতে অঞ্চলের জন্য।
পাহাড়ি রাস্তা ধরে এগিয়ে যেতে যেতে চারপাশের সবুজ অরণ্য, পাহাড়ি উপত্যকা এবং ছোট ছোট গ্রাম দেখতে দেখতে পৌঁছে যাবো ফোবজিখাতে। ফোবজিখার বিস্তৃত সবুজ উপত্যকা এবং শান্ত পরিবেশ উপভোগ করবো।
এরপর যাবো গাংতে গোম্ফা দর্শনে। পাহাড়ের উপর অবস্থিত এই মঠ থেকে চারপাশের উপত্যকার অসাধারণ দৃশ্য দেখা যায়। ফোবজিখা অঞ্চলটি প্রকৃতিপ্রেমীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণীয়। শীতকালে এখানে পরিযায়ী কালো-গলা সারস দেখার সম্ভাবনাও থাকে।
দুপুরের খাবার শেষে আবার পাহাড়ি পথ ধরে পুনাখার উদ্দেশ্যে ফিরে আসবো। সন্ধ্যায় পুনাখা হোটেলে ফিরে রাতের খাবার সেরে নেব ।
🏨 রাত্রিবাস: পুনাখা।
সকালের প্রাতঃরাশের পর আমরা বেরিয়ে পড়বো পুনাখার দর্শনীয় স্থানগুলি ঘুরে দেখার জন্য।
🏯 পুনাখা জং : দুই নদীর মিলনস্থলের কাছে অবস্থিত ভুটানের অন্যতম সুন্দর ও ঐতিহাসিক দুর্গ-মঠ। এর স্থাপত্য ও প্রাকৃতিক পরিবেশ আমাদের মুগ্ধ করবে।
🌉 পুনাখা সাসপেনশন ব্রিজ : পাহাড় ও নদীর মাঝখানে অবস্থিত দীর্ঘ ঝুলন্ত সেতু থেকে চারপাশের পাহাড়ি দৃশ্য উপভোগ করবো।
দুপুরের খাবার শেষে পুনাখাকে বিদায় জানিয়ে আমরা পারোর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো।
পাহাড়ি রাস্তা ধরে এগিয়ে সন্ধ্যার দিকে পৌঁছে যাবো পারোতে। হোটেলে চেক-ইন করে কিছুটা বিশ্রাম নেবো।
সময় থাকলে সন্ধ্যায় পারো শহরের স্থানীয় বাজারে হাঁটাহাঁটি ও কেনাকাটার সুযোগ থাকবে।
🏨 রাত্রিবাস: পারো।
সকালের প্রাতঃরাশের পর আমরা বেরিয়ে পড়বো সম্পূর্ণভাবে পারো-র সকল স্থানীয় দর্শনীয় দেখার জন্য। আজ আমরা দেখবো -
🏯 পারো জং : ভুটানের ঐতিহ্যবাহী স্থাপত্যের অন্যতম সুন্দর নিদর্শন।
🛕 কিচু লাখাং : ভুটানের প্রাচীন ও গুরুত্বপূর্ণ বৌদ্ধ মন্দিরগুলির অন্যতম।
🌿 পারো উপত্যকা : পাহাড়, নদী, সবুজ ক্ষেত ও ঐতিহ্যবাহী ভুটানি বাড়িঘরের সুন্দর সমন্বয় উপভোগ করবো।
সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী পারোর স্থানীয় বাজার ও অন্যান্য আকর্ষণীয় স্থান ঘুরে দেখা হবে।
সন্ধ্যায় হোটেলে ফিরে রাতের খাবার।
🏨 রাত্রিবাস: পারো।
আজকের দিনটি হবে আমাদের ভুটান ভ্রমণের অন্যতম স্মরণীয় ও রোমাঞ্চকর দিন। খুব সকালে প্রাতঃরাশ সেরে আমরা রওনা দেবো বিখ্যাত টাইগার্স নেস্ট মঠের উদ্দেশ্যে।
পাহাড়ের খাড়া ঢালে অবস্থিত এই ঐতিহাসিক বৌদ্ধ মঠে পৌঁছানোর জন্য নির্দিষ্ট অংশে পাহাড়ি পথে হাঁটতে হবে। পাহাড়ি পথ ধরে উপরে উঠতে উঠতে চারপাশের অরণ্য, পাহাড় ও পারো উপত্যকার অপরূপ দৃশ্য উপভোগ করবো। টাইগার্স নেস্টে পৌঁছে মঠের ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ অনুভব করার পর ধীরে ধীরে নিচে নেমে আসবো।
দুপুরের খাবার শেষে পারোকে বিদায় জানিয়ে আমরা ফুন্টশোলিংয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো।
পাহাড়ি পথ ধরে নেমে সন্ধ্যার দিকে ফুন্টশোলিং পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন করবো। রাতের খাবার সেরে বিশ্রাম নেব ।
🏨 রাত্রিবাস: ফুন্টশোলিং।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: টাইগার্স নেস্টে ওঠার জন্য যথেষ্ট হাঁটতে হয়। বয়স্ক বা শারীরিকভাবে অসুবিধা রয়েছে এমন পর্যটকদের নিজেদের শারীরিক সক্ষমতা বিবেচনা করে অংশগ্রহণ করতে হবে।
সকালের প্রাতঃরাশের পর হোটেল থেকে চেক-আউট করে আমরা ফুন্টশোলিংকে বিদায় জানাবো। প্রয়োজনীয় সীমান্ত সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে আমরা ভারতে প্রবেশ করবো।
এরপর গাড়িতে করে হাসিমারা / আলিপুরদুয়ার রেলওয়ে স্টেশনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো। নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছে কলকাতাগামী ট্রেনে উঠবো।
ভুটানের পাহাড়, নদী, উপত্যকা, বৌদ্ধ মঠ, ঐতিহাসিক জং, প্রার্থনার পতাকা এবং টাইগার্স নেস্টের অসাধারণ স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে শুরু হবে আমাদের ফেরার যাত্রা।
🚆 রাত্রিবাস: ট্রেনে।
আজ ভোর / সকালে নির্ধারিত সময়ে আমাদের ট্রেন কলকাতায় পৌঁছে যাবে। ট্রেন থেকে নেমে সকল পর্যটক নিজেদের লাগেজ সংগ্রহ করে নেবেন। আমাদের অভিজ্ঞ ট্যুর ম্যানেজার সকলের সঙ্গে দেখা করে যাত্রার শেষ মুহূর্তের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবেন।
এরপর একে একে সকল পর্যটক নিজেদের গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন।
ভুটানের পাহাড়ি পথ, ফুন্টশোলিংয়ের শান্ত পরিবেশ, থিম্পুর সৌন্দর্য, দোচুলা পাসের মেঘমাখা পাহাড়, পুনাখার ঐতিহাসিক স্থাপত্য, ফোবজিখার সবুজ উপত্যকা, পারোর সৌন্দর্য এবং টাইগার্স নেস্টের অসাধারণ স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে এখানেই শেষ হবে আমাদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত কলকাতা থেকে কলকাতা ভুটান গ্রুপ ট্যুর।
❤️ ভ্রমণ সমাপ্ত
🇧🇹 ভুটান থেকে ফিরবো আমরা, কিন্তু ভুটানের স্মৃতিগুলো থেকে যাবে আমাদের হৃদয়ে আজীবন।