Loading

কল্পা-কিন্নর তৎসহ লাহুল-স্পিতি ভ্যালি টূর

Shimla - 5 Nts
Duration

14 Nts / 15 Days

Hotels
Hotels
Sightseeing
Sightseeing
Meals
Meals
Tour Manager
Tour Manager
Train
Train
Transport
Transport
হাওড়া স্টেশন
09 August 2026
Price Summary
Adult 0 × 0 0
Extra Adult 0 × 0 0
Child 0 × 0 0
GST @ 5% 0
Grand Total ₹0.00

Tour Highlights

হিমালয়ের অপার সৌন্দর্য, তুষারাবৃত পর্বত, গভীর উপত্যকা, স্বচ্ছ পাহাড়ি নদী, প্রাচীন মন্দির ও বৌদ্ধ মঠ, ছোট ছোট পাহাড়ি গ্রাম এবং প্রকৃতির এক অপূর্ব মেলবন্ধন—এই দীর্ঘ ভ্রমণে আমরা ঘুরে দেখবো হিমাচলের অন্যতম আকর্ষণীয় অঞ্চল কিন্নর, স্পিতি ভ্যালি ও মানালি।

যারা আমাদের এই হিমাচল ভ্রমণ গ্রুপের সঙ্গী হতে চান তারা অতিসত্বর আমাদের সাথে যোগাযোগ করে আপনার সিটটি নির্দিষ্ট করুন। বুকিং সংরক্ষণ বাবদ এখন আমরা মাথাপিছু শুধুমাত্র ২০০০/- টাকা করে নেব। বুকিং নিশ্চিত-করণ করতে ভ্রমণ তারিখের ৩ মাস আগে মাথাপিছু ৩০০০/- টাকা করে দিতে হবে। বাকি টাকা ভ্রমণ তারিখের ১৫ দিন আগে দিতে হবে।

নিম্নে আমাদের ভ্রমণ সংক্রান্ত সমস্ত বিবরণ দেওয়া হল :
| ***** শুভ যাত্রা ***** | ***** প্রত্যাবর্তন ***** |
| **১লা অক্টোবর ২০২৬** | **১লা মে ২০২৭** |
| **১৫ই অক্টোবর ২০২৬** | **১৬ই মে ২০২৭** |
Day 1
হাওড়া থেকে কালকার উদ্দেশ্যে যাত্রা
হাওড়া থেকে কালকার উদ্দেশ্যে যাত্রা

নির্ধারিত সময়ে হাওড়া স্টেশন থেকে কালকা মেল / নেতাজি এক্সপ্রেস (ট্রেন নং – ১২৩১১)-এ চেপে কালকার উদ্দেশ্যে রওনা দেব। দীর্ঘ এই রেলযাত্রার সূচনায় সকলের সঙ্গে পরিচয়, গল্প-আড্ডা এবং আনন্দঘন মুহূর্তের মধ্য দিয়েই শুরু হবে আমাদের সফর। আজকের রাতটি ট্রেনেই কাটবে।

Day 2
সারাদিন ট্রেন সফর
সারাদিন ট্রেন সফর

আজকের পুরো দিন ও রাত ট্রেনেই কাটবে। জানালার বাইরে বদলে যেতে থাকা প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে করতে, গল্প-আড্ডা, গান এবং ভ্রমণের উত্তেজনায় কেটে যাবে দিনটি। রাতের বিশ্রাম ট্রেনেই।

Day 3
কালকা থেকে সিমলার উদ্দেশ্যে যাত্রা (প্রায় ৯০ কিমি | ৩ ঘণ্টা)
কালকা থেকে সিমলার উদ্দেশ্যে যাত্রা (প্রায় ৯০ কিমি | ৩ ঘণ্টা)

ভোরে কালকা স্টেশনে পৌঁছে চা ও হালকা জলখাবার সেরে গাড়িতে সিমলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করবো।
সিমলায় পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন করে দুপুরের খাবার গ্রহণের পর বিকেলে ঘুরে দেখবো -
O মল রোড
O দ্য রিজ
O খ্রিস্ট চার্চ
O লক্কর বাজার
O স্ক্যান্ডাল পয়েন্ট
O কালী বাড়ি
সন্ধ্যায় পাহাড়ি শহরের মনোরম পরিবেশ উপভোগ করে রাতের বিশ্রাম সিমলার হোটেলে।

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 4
সিমলার থেকে সারাহানের উদ্দেশ্যে যাত্রা (দূরত্ব: প্রায় ১৬০ কিমি | যাত্রার সময়: প্রায় ৬ ঘণ্টা)।
সিমলার থেকে সারাহানের উদ্দেশ্যে যাত্রা (দূরত্ব: প্রায় ১৬০ কিমি | যাত্রার সময়: প্রায় ৬ ঘণ্টা)।

আজকে সকালে প্রাতঃরাশ সেরে সিমলার হোটেলকে বিদায় জানিয়ে আজ আমাদের যাত্রা শুরু হবে অপূর্ব সুন্দর পাহাড়ি জনপদ সারাহান-এর উদ্দেশ্যে। আঁকাবাঁকা পাহাড়ি পথ, সবুজ উপত্যকা এবং হিমালয়ের মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে করতে এগিয়ে চলবে আমাদের যাত্রা।

পথিমধ্যে প্রথমে ঘুরে দেখবো কুফরি—সিমলার অন্যতম জনপ্রিয় পাহাড়ি পর্যটনকেন্দ্র। এখানকার মনোরম পাহাড়ি পরিবেশ, হিমালয়ান প্যানোরামিক ভিউ এবং ইয়াক রাইড পর্যটকদের বিশেষভাবে আকর্ষণ করে। আবহাওয়া ও সময় অনুকূলে থাকলে কুফরির প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করার পাশাপাশি স্থানীয় কিছু অ্যাক্টিভিটিতেও অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকবে।

এরপর রওনা দেবো ফাগু ভ্যালি-র দিকে। মেঘে ঢাকা পাহাড়, সবুজ উপত্যকা এবং নির্জন পাহাড়ি পরিবেশের অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে চলবে আমাদের পথচলা। বিকেলের দিকে আমরা পৌঁছে যাবো ঐতিহাসিক ও শান্ত পাহাড়ি জনপদ সারাহান-এ।

হোটেলে পৌঁছে চেক-ইন ও কিছুটা বিশ্রামের পর সন্ধ্যায় দর্শন করবো সারাহানের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ ও বিখ্যাত ভীমাকালী মন্দির। মন্দিরের প্রাচীন স্থাপত্য, পাহাড়ি পরিবেশ এবং আধ্যাত্মিক আবহ অনুভব করার পর হোটেলে ফিরে রাতের খাবার ও বিশ্রাম।

🏨 রাতের অবস্থান: সারাহান

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 5
সারাহান থেকে সাংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা (দূরত্ব: প্রায় ৮৫ কিমি | যাত্রার সময়: প্রায় ৩ ঘণ্টা)।
সারাহান থেকে সাংলার উদ্দেশ্যে যাত্রা (দূরত্ব: প্রায় ৮৫ কিমি | যাত্রার সময়: প্রায় ৩ ঘণ্টা)।

সকালের প্রাতঃরাশ সেরে সারাহানকে বিদায় জানিয়ে আজ আমাদের যাত্রা শুরু হবে কিন্নর জেলার অন্যতম সুন্দর ও মনোমুগ্ধকর পাহাড়ি উপত্যকা সাংলা ভ্যালি-র উদ্দেশ্যে। পাহাড়ের গা বেয়ে আঁকাবাঁকা পথ ধরে এগিয়ে চলার সময় চারপাশের সবুজ পাহাড়, গভীর উপত্যকা এবং অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য আমাদের যাত্রাকে করে তুলবে আরও আনন্দময়।

সাংলায় পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন করে কিছুটা বিশ্রাম নেওয়ার পর বিকেলে বেরিয়ে পড়বো সাংলার আশেপাশের সৌন্দর্য উপভোগ করতে।

হেঁটে ঘুরে দেখবো এখানকার মনোরম আপেল বাগান, যেখানে পাহাড়ের ঢালে সারি সারি আপেল গাছ সাংলার সৌন্দর্যকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এরপর সময় কাটাবো স্বচ্ছ ও শান্ত বাস্পা নদীর তীরে। পাহাড়, নদী ও সবুজ প্রকৃতির অপূর্ব মেলবন্ধনে এখানে কিছুটা সময় কাটানো হবে এই দিনের অন্যতম সুন্দর অভিজ্ঞতা।

পরবর্তীতে সাংলা গ্রামের আশেপাশে ঘুরে স্থানীয় পাহাড়ি জীবনযাত্রা ও প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করবো। চাইলে নিজের মতো করে কিছুটা অবসর সময়ও কাটাতে পারেন।

সারাদিনের ভ্রমণ ও প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করার পর সন্ধ্যায় হোটেলে ফিরে রাতের খাবার ও বিশ্রাম।

🏨 রাতের অবস্থান: সাংলা

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 6
সকালে ছিটকুল দেখে এসে সাংলার থেকে কল্পার উদ্দেশ্যে যাত্রা
সকালে ছিটকুল দেখে এসে সাংলার থেকে কল্পার উদ্দেশ্যে যাত্রা

সকালের প্রাতঃরাশের পর আজকের যাত্রা শুরু হবে ভারতের অন্যতম সুন্দর সীমান্তবর্তী পাহাড়ি গ্রাম ছিটকুল-এর উদ্দেশ্যে।

বাস্পা নদীর ধার ধরে পাহাড়ি পথ অতিক্রম করে আমরা পৌঁছাবো রাখছাম-এর কাছে। পথের চারপাশে থাকবে সবুজ পাহাড়, আপেল বাগান, নদী ও অসাধারণ হিমালয়ান ল্যান্ডস্কেপ।

এরপর পৌঁছে যাবো ছিটকুলে—যা তার নির্মল প্রকৃতি, পাহাড়ি গ্রাম্য পরিবেশ এবং তুষারাবৃত পর্বতের মনোরম দৃশ্যের জন্য বিখ্যাত।

ছিটকুলে কিছুটা সময় কাটিয়ে উপভোগ করবো—

🏔️ তুষারাবৃত পাহাড়ের দৃশ্য
🌊 বাস্পা নদী
🍎 আপেল বাগান
🏡 পাহাড়ি গ্রামের পরিবেশ

এরপর পুনরায় সাংলায় ফিরে দুপুরের খাবার গ্রহণ করে রওনা দেবো কল্পা-র উদ্দেশ্যে।

সাংলা থেকে কল্পার পথেও উপভোগ করবো কিন্নরের অপূর্ব পাহাড়ি সৌন্দর্য।

কল্পায় পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন ও বিশ্রাম।

🏨 রাতের অবস্থান: কল্পা

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 7
আজকে দেখে নেব কল্পার সকল স্থানীয় দর্শনিয় স্থান ।
আজকে দেখে নেব কল্পার সকল স্থানীয় দর্শনিয় স্থান ।

ভোরে ঘুম থেকে উঠে হোটেল থেকেই আবহাওয়া পরিষ্কার থাকলে উপভোগ করবো মহিমান্বিত কিন্নর কৈলাশ পর্বতের অপরূপ দৃশ্য।

সকালের প্রাতঃরাশের পর বেরিয়ে পড়বো কল্পার স্থানীয় দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখতে।

আজকের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে থাকবে -
🏡 কল্পা গ্রাম
🌄 রোঘি গ্রাম
📍 রোঘি / সুইসাইড পয়েন্ট
🛕 নারায়ণ-নাগিনী মন্দির কমপ্লেক্স
🏯 বৌদ্ধ মঠ
🏫 স্থানীয় পাহাড়ি গ্রাম ও আশেপাশের এলাকা

কল্পার শান্ত পাহাড়ি পরিবেশ, আপেল বাগান এবং কিন্নর কৈলাশের অপূর্ব দৃশ্য উপভোগ করতে করতে কেটে যাবে আজকের দিন।

সন্ধ্যায় হোটেলে ফিরে রাতের খাবার ও বিশ্রাম।

🏨 রাতের অবস্থান: কল্পা

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 8
কল্পা ➜ নাকো ➜ গিউ ➜ টাবো (দূরত্ব: প্রায় ১৬০ কিমি | যাত্রার সময়: আনুমানিক ৫–৭ ঘণ্টা)।
কল্পা ➜ নাকো ➜ গিউ ➜ টাবো (দূরত্ব: প্রায় ১৬০ কিমি | যাত্রার সময়: আনুমানিক ৫–৭ ঘণ্টা)।

সকালের প্রাতঃরাশ সেরে আজ আমরা প্রবেশ করবো বিখ্যাত স্পিতি ভ্যালি অঞ্চলে। যাত্রা শুরু হবে ঐতিহাসিক ও মনোরম পাহাড়ি জনপদ টাবো-র উদ্দেশ্যে।

পথিমধ্যে দর্শন করবো -
🌊 নাকো লেক
🏯 নাকো মনেস্ট্রি
🏡 গিউ গ্রাম
🏯 গিউ মনেস্ট্রি
🧘 সংরক্ষিত প্রাচীন মমি

পাহাড়ের রুক্ষ সৌন্দর্য, গভীর উপত্যকা এবং বদলে যেতে থাকা ভূপ্রকৃতি উপভোগ করতে করতে এগিয়ে চলবে আমাদের যাত্রা।

বিকেলের দিকে টাবো পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন।

🏨 রাতের অবস্থান: টাবো

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 9
টাবো ➜ ধনকার ➜ কাজা (দূরত্ব: প্রায় ৫০ কিমি+ | সময়: রাস্তার অবস্থা অনুযায়ী)।
টাবো ➜ ধনকার ➜ কাজা (দূরত্ব: প্রায় ৫০ কিমি+ | সময়: রাস্তার অবস্থা অনুযায়ী)।

সকালের প্রাতঃরাশের পর টাবোকে বিদায় জানিয়ে আমরা রওনা দেবো স্পিতি ভ্যালির প্রধান শহর কাজা-র উদ্দেশ্যে।

পথিমধ্যে দর্শন করবো ঐতিহাসিক ধনকার মনেস্ট্রি ও ধনকার ভ্যালি।

পাহাড়ের গা ঘেঁষে চলা রাস্তা, নীচে বয়ে চলা স্পিতি নদী এবং চারপাশের অনন্য রুক্ষ পাহাড়ি সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে আমরা পৌঁছে যাবো কাজায়।

হোটেলে চেক-ইন ও কিছুটা বিশ্রামের পর সন্ধ্যায় বেরিয়ে পড়বো কাজা মার্কেট ঘুরে দেখতে।

স্থানীয় বাজারে পাহাড়ি সংস্কৃতি ও স্থানীয় জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি চাইলে কিছু কেনাকাটাও করতে পারেন।

🏨 রাতের অবস্থান: কাজা

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 10
কাজা ➜ হিককিম ➜ কমিক ➜ লাংজা ➜ কি ➜ কিব্বের ➜ ছিচাম
কাজা ➜ হিককিম ➜ কমিক ➜ লাংজা ➜ কি ➜ কিব্বের ➜ ছিচাম

আজকের দিনটি সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করা হবে স্পিতি ভ্যালির উচ্চ-উচ্চতার গ্রাম ও মনেস্ট্রি দর্শনের জন্য।

সকালের প্রাতঃরাশের পর বেরিয়ে পড়বো আজকের দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে -
🏯 কাজা মনেস্ট্রি
📮 হিককিম – বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম পোস্ট অফিস
🏡 কমিক – বিশ্বের অন্যতম উচ্চতম মোটরযোগ্য গ্রাম
🦕 লাংজা গ্রাম – ফসিলের জন্য বিখ্যাত
🏯 কি (Key) মনেস্ট্রি
🏡 কিব্বের গ্রাম
🌉 ছিচাম ব্রিজ

স্পিতির রুক্ষ পাহাড়, নীল আকাশ, বিশাল উপত্যকা এবং দূর দিগন্তে বরফে ঢাকা পর্বত—সব মিলিয়ে আজকের দিনটি হবে এই সফরের অন্যতম স্মরণীয় দিন।

সারাদিনের দর্শন শেষে সন্ধ্যায় কাজার হোটেলে ফিরে আসবো।

🏨 রাতের অবস্থান: কাজা

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 11
কাজা ➜ কুঞ্জুম পাস ➜ লাহুল ভ্যালি ➜ মানালি
কাজা ➜ কুঞ্জুম পাস ➜ লাহুল ভ্যালি ➜ মানালি

আজকের দিনটি হবে পুরো সফরের অন্যতম রোমাঞ্চকর দিন। খুব সকালে প্রাতঃরাশ সেরে আমরা রওনা দেবো মানালি-র উদ্দেশ্যে।

পথে স্পিতি ভ্যালি পেরিয়ে আমরা প্রবেশ করবো লাহুল অঞ্চলে। পথিমধ্যে, রাস্তা ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে উপভোগ করবো -
🏔️ লোসার
❄️ কুঞ্জুম পাস
🌊 চন্দ্রতাল লেক – অ্যাক্সেস ও সময় থাকলে
🏞️ লাহুল ভ্যালি
🚇 অটল টানেল

পাহাড়ি রাস্তা ও আবহাওয়ার কারণে আজকের যাত্রার সময় স্বাভাবিক দিনের তুলনায় বেশি হতে পারে। তাই পর্যাপ্ত সময় হাতে রেখে যাত্রা করা হবে।

সন্ধ্যা/রাতের দিকে মানালিতে পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন ও বিশ্রাম।

🏨 রাতের অবস্থান: মানালি

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 12
মানালির সকল স্থানীয় দর্শনীয় স্থান।
মানালির সকল স্থানীয় দর্শনীয় স্থান।

সকালের প্রাতঃরাশের পর আজ বেরিয়ে পড়বো সুন্দর পাহাড়ি শহর মানালি-র স্থানীয় দর্শনীয় স্থানগুলো ঘুরে দেখতে।
আজকে দর্শন করবো -
🛕 হিডিম্বা দেবী মন্দির
♨️ বশিষ্ঠ মন্দির ও উষ্ণ প্রস্রবণ
🏡 মানালি ওল্ড ভিলেজ এলাকা
🏞️ ক্লাব হাউস
🏯 তিব্বতি মনেস্ট্রি
🛍️ মানালি মল রোড ও স্থানীয় মার্কেট

সন্ধ্যায় মল রোডে কিছুটা অবসর সময় কাটাতে পারবেন। চাইলে পরিবারের জন্য পাহাড়ি সামগ্রী, উলের পোশাক, শুকনো ফল ও অন্যান্য স্থানীয় জিনিসপত্র কেনাকাটা করতে পারেন।

রাতের খাবার ও বিশ্রাম হোটেলে।

🏨 রাতের অবস্থান: মানালি

🍳 Breakfast 🍛 Lunch 🍽 Dinner
Day 13
মানালি ➜ কালকা / চণ্ডীগড় ➜ কলকাতার উদ্দেশ্যে।
মানালি ➜ কালকা / চণ্ডীগড় ➜ কলকাতার উদ্দেশ্যে।

সকালের প্রাতঃরাশের পর মানালির হোটেলকে বিদায় জানিয়ে শুরু হবে আমাদের প্রত্যাবর্তনের যাত্রা।

গাড়িতে করে রওনা দেবো চণ্ডীগড় / কালকা স্টেশন-এর উদ্দেশ্যে। দীর্ঘ পাহাড়ি পথ পেরিয়ে ধীরে ধীরে আমরা সমতলের দিকে নেমে আসবো।

নির্ধারিত সময়ে স্টেশনে পৌঁছে ট্রেনে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হবে।

এই যাত্রার সঙ্গে শেষ হতে শুরু করবে আমাদের দীর্ঘ ও স্মরণীয় হিমাচল সফর।

🌙 রাতের অবস্থান: ট্রেন

🍳 Breakfast
Day 14
ট্রেনে কলকাতার উদ্দেশ্যে প্রত্যাবর্তন
ট্রেনে কলকাতার উদ্দেশ্যে প্রত্যাবর্তন

আজকের পুরো দিন ও রাত কাটবে ট্রেনের মধ্যেই।

ফিরতি পথে থাকবে গত কয়েকদিনের অসংখ্য স্মৃতি—কিন্নরের পাহাড়, ছিটকুলের সৌন্দর্য, কল্পার আপেল বাগান, স্পিতির রুক্ষ পাহাড়, প্রাচীন বৌদ্ধ মঠ, হিককিম, কমিক, লাংজা, কি মনেস্ট্রি এবং মানালির মনোরম পরিবেশ।

গল্প, আড্ডা ও স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে শেষ হবে আমাদের এই দীর্ঘ রেলযাত্রা।

🌙 রাতের অবস্থান: ট্রেন

Day 15
কলকাতায় প্রত্যাবর্তন।
কলকাতায় প্রত্যাবর্তন।

নির্ধারিত সময়ে কলকাতায় পৌঁছে সমাপ্ত হবে আমাদের বহু প্রতীক্ষিত হিমাচল – কিন্নর – স্পিতি – মানালি ১৪ রাত / ১৫ দিনের স্মরণীয় ভ্রমণ।

হিমালয়ের অপরূপ সৌন্দর্য, তুষারাবৃত পর্বত, পাহাড়ি নদী, প্রাচীন মন্দির, বৌদ্ধ মঠ, নির্জন উপত্যকা এবং ছোট ছোট পাহাড়ি গ্রামের অসংখ্য স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে আমরা প্রত্যেকে নিজ নিজ গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেবো।

❤️ এই ভ্রমণের স্মৃতি থেকে যাবে বহুদিন...

“পাহাড় ডাকলে ফিরতে হয় - কখনও কখনও সেই ডাক জীবনের সেরা গল্প হয়ে থাকে।”

Package Inclusions

Package Exclusions

No exclusions available.

Booking Policy

test 

Cancellation Policy

test 

Terms & Conditions

test