কল্পা, কিন্নর, লাহুল - স্পিতি ভ্যালি হিমাচল টূর
14 Nts / 15 Days
| Adult | 0 | × | 0 | 0 |
|---|---|---|---|---|
| Extra Adult | 0 | × | 0 | 0 |
| Child | 0 | × | 0 | 0 |
| GST @ 5% | 0 | |||
| Grand Total | ₹0.00 | |||
Tour Highlights
হাওড়া স্টেশন থেকে রাত 9.55 মিনিটের কালকা মেল/নেতাজি এক্সপ্রেস (ট্রেন নং-১২৩১১) ট্রেন ধরে কালকার উদ্দেশ্যে রওনা দেব। সারারাতটা আমাদের ট্রেনের মধ্যেই কাটবে।
আজকের সারা দিনরাতটা আমাদের গল্প, আড্ডা করে ট্রেনেই কাটাতে হবে।
ভোররাতে আমরা পৌঁছে যাবো কালকা স্টেশনে। স্টেশন থেকে বেরিয়ে আমরা চা ও জলখাবর খেয়ে সিমলার উদ্দেশ্যে রওনা দেবো। কালকা থেকে সিমলার দূরত্ব প্রায় ৯০কিমি যেতে সময় লাগবে প্রায় ৩ ঘণ্টা। সিমলা হোটেলে পৌঁছানোর পরে হোটেল চেক ইন করে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজটা সেরে নেব। বিকালে আমরা দেখে নেবো; সিমলার বিখ্যাত মল রোড, রিজ, খ্রিস্ট চার্চ, লক্কর বাজার, স্ক্যান্ডাল পয়েন্ট, কালী বাড়ি ইত্যাদি। আজকের রাতটা আমরা সিমলার হোটেলে কাটবো।
আজকে সকালে আমরা প্রাত:রাস সেরে সিমলার হোটেলকে বিদায় জানিয়ে বেরিয়ে পড়বো সারাহানের উদ্দেশ্যে। সিমলার থেকে সারাহানের দূরত্ব প্রায় ১৬০ কিমি যেতে সময় লাগবে প্রায় ৬ ঘণ্টা। যাওয়ার পথে কুফরি(এটি হিমালয়ান ন্যাশনাল পার্ক, ইয়াক রাইডের জন্য বিখ্যাত এবং কুফরি থেকে অবিরাম হিমালয় প্যানারোমিক ভিউ দেখতে পাবেন), ফাগু ভ্যালি দেখে নেব। বিকালে সারাহান পৌছে হোটেলে চেক ইন করে সন্ধ্যায় ভীম কালী মন্দির দর্শন করে নেবো। আজকের রাতটা আমরা সারাহানের হোটেলে কাটাবো।
আজকে আমরা সকালে প্রাত:রাস সেরে তিব্বতি বৌদ্ধ মঠ সাংলার উদ্দেশ্যে রওনা দেব। সারাহান থেকে সাংলার দূরত্ব প্রায় ৮৫ কিমি যেতে সময় লাগবে প্রায় ৩ ঘণ্টা। সাংলা পৌঁছে পায়ে হেঁটে ঘুরে নেবো হোটেলের বাইরে অ্যাপেল বাগান গুলো। বিকালে পাহাড়ি নদী “বাস্পার” ধারে বেশ কিছুটা সময় কাটিয়ে আসতে পারেন। আজ রাতটা সাংলার হোটেলে কাটাবো।
আজকে আমরা সকালে প্রাত:রাসের পরে বেরিয়ে পড়বো ছিটকুলের উদ্দেশ্যে। বাস্পা নদীর ধার দিয়ে পর্বতারোহণ করতে করতে রাখছাম পেরিয়ে (উচ্চতা - 10000 ফুট) ছিটকুলের (উচ্চতা -12000 ফুট) চরনাভূমিতে পৌছে যাবো। চারপাশের আপেল বাগান ও মনোমুগ্ধকর পাহাড়ের সৌন্দর্য এই স্থানটিকে যেন স্বর্গরাজ্যে পরিণত করে। ছিটকুলে পৌঁছে আমরা এই ভ্যালির মনোরম দৃশ্য প্রাণভরে উপভোগ করে নেবো। এরপর আমরা আবার সাংলা ফিরে এসে দুপুরের মধ্যাহ্নভোজ সেরে কল্পার উদ্দেশ্যে রওনা দেব। সাংলা থেকে কল্পার দূরত্ব প্রায় ৩৫ কিমি যেতে সময় লাগবে প্রায় ১ ঘণ্টা। বিকালে আমরা কল্পা পৌছে হোটেলে চেক ইন করে নেবো। আজকের রাতটা আমরা কল্পাতে কাটাব।
আজকে সকালে ঘুম থেকে উঠে কল্পার হোটেল থেকেই দর্শন করবো কিন্নর কৈলাশের মহাদেবকে। দিনে সাত বার রং পরিবর্তন করে এই কৈলাশ। এরপর সকালের প্রাত:রাস সেরে নিয়ে বেরিয়ে পড়বো কল্পার স্থানীয় দর্শনীয় স্থানগুলো দেখার জন্য। একে একে দেখে নেবো রোঘি গ্রাম ও সুইসাইড ভিউ পয়েন্ট, স্থানীয় স্কুল এবং নারায়ণ নাগিনী মন্দির কমপ্লেক্স (এখানে হিন্দু, বৌদ্ধ এবং স্থানীয় দেব-দেবী, বৌদ্ধ মঠ, কল্পা গ্রাম), ইত্যাদি। আজকের রাতটাও আমরা কল্পাতেই কাটাবো।
আজকে সকালের প্রাত:রাস সেরে বেরিয়ে পড়বো টাবোর উদ্দেশ্যে। কল্পা থেকে টাবোর দূরত্ব প্রায় ১৬০ কিমি যেতে সময় লাগবে প্রায় ৪ ঘণ্টা। পথিমধ্যে দেখে নেবো নাকো লেক, নাকো মনেস্ট্রি, গিউ গ্রাম ও গিউ মনেস্ট্রি (এখানে দেখে নেবো তিব্বতি সন্যাসির মমি), টাবোর নতুন ও পুরনো মনেষ্ট্রি, ইত্যাদি। এরপর আমরা টাবোর হোটেলে পৌছে চেক ইন করে আজকের রাতটা টাবোতে কাটিয়ে দেবো।
আজকে আমরা সকালে প্রাত:রাস সেরে টাবোর হোটেল থেকে চেক আউট করে কাজার উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়বো। টাবো থেকে কাজার দূরত্ব প্রায় ৫০ কিমি যেতে সময় লাগবে প্রায় দেড় ঘণ্টা। পথিমধ্যে দেখে নেবো ধনকার মণেস্ট্রি ও কিং ভ্যালি। এরপর স্পিতি নদী আর হিমালয়ের অপরূপ সৌন্দর্য দেখতে দেখতে আমরা পৌঁছে যাবো কাজাতে। এরপর আমরা কাজার হোটেলে চেক ইন করে, সন্ধায় কাজার মার্কেটটা গিয়ে ঘুরে দেখে নেবো। আজকের রাতটা আমরা কাজার হোটেলে কাটাবো।
আজকে সকালের প্রাত:রাসের পর বেরিয়ে পড়বো স্পিতি ভ্যালি ঘুরে দেখতে। একে একে দেখে নেবো কাজা মণেস্ট্রি, হিককিম গ্রাম (এখানে বিশ্বের সব থেকে উঁচু পোস্ট অফিস রয়েছে), কমিক গ্রাম (এশিয়ার সব থেকে উচু গ্রাম), লাংজা গ্রাম, কি গ্রাম ও মনেস্ট্রী, কিব্বের গ্রাম, ছিচাম ব্রিজ (এশিয়ার সবচেয়ে উচ্চতম ঝুলন্ত সেতু),ইত্যাদি। এরপর আমরা আবার কাজার হোটেলে ফিরে আসবো। আজকের রাতটাও আমরা কাজার হোটেলেই কাটাবো।
আজকে আমরা সকাল সকাল প্রাত:রাস সেরে বেরিয়ে পড়বো মানালির উদ্দেশ্যে। কাজা থেকে মানালির দূরত্ব প্রায় ১৮৫ কিমি যেতে সময় লাগবে প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টা। পথিমধ্যে দেখে নেবো লোসার, লাহুল উপত্যকার চন্দ্রতাল লেক, কুঞ্জম পাশ, অটল টানেল, রোটাং পাস, ইত্যাদি। মানালি পৌঁছে আমরা হোটেলে চেক ইন করে নেবো। আজকের রাতটা আমরা মানালির হোটেলে কাটাবো।
আজকে আমরা সকালে প্রাত:রাশের পর বেরিয়ে পড়বো মানালির সমস্ত স্থানীয় দর্শনীয় স্থানগুলো দেখতে। একে একে দেখে নেবো হিরিম্বাদেবী টেম্পল, বশিষ্ঠ আশ্রম, ক্লাব হাউস ইত্যাদি। সন্ধ্যায় মানালির ম্যাল (লোকাল মার্কেট) থেকে কিছু কেনা কাটা করার থাকলে করে নিতে পারেন। এরপর হোটেলে ফিরে এসে আজকের রাতটা আমরা মানালির হোটেলে কাটিয়ে নেবো।
আজকে আমরা সকালে প্রাতঃরাশের পর মানালি হোটেলকে বিদায় জানিয়ে কালকা স্টেশন বা চণ্ডীগড় এর উদ্দেশ্যে রওনা দেব। আজকে আমাদের বাড়ি ফেরার পালা, আজ রাতের ট্রেনেই আমরা কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা দেব।
আজকের সারাটা দিন ও সারাটা রাত আমাদের গল্প-গুজব, আড্ডা করে ট্রেনের মধ্যেই কাটাতে হবে।
আজকে আমরা বিগত দিনের হিমাচল (লাহুল ও স্পিতির ভ্যালি) টূরের মধুর স্মৃতিগুলো নিয়ে যে যার গন্তব্যস্থলে পৌঁছে যাবো।
Package Inclusions
Package Exclusions
Booking Policy
Cancellation Policy
Terms & Conditions
প্রাকৃতিক কারণে বা পাহাড়ি কোনো অবস্থার অবনতির কারণে ভ্রমণসূচি পরিবর্তন করা হলে তার খরচ।