অরুণাচলের মেঘমালা ও কাজিরাঙ্গার অরণ্য
10 Nts / 11 Days
| Adult | 0 | × | 0 | 0 |
|---|---|---|---|---|
| Extra Adult | 0 | × | 0 | 0 |
| Child | 0 | × | 0 | 0 |
| GST @ 5% | 0 | |||
| Grand Total | ₹0.00 | |||
Tour Highlights
গুয়াহাটি থেকে যাত্রা শুরু করে আমরা পৌঁছে যাই অরুণাচলের অপূর্ব পাহাড়ি অঞ্চল **ভালুকপং, দিরাং ও তাওয়াং**-এ। পথে সবুজ পাহাড়, পাহাড়ি নদী, ঝরনা এবং মেঘে ঢাকা উপত্যকার সৌন্দর্য পর্যটকদের মুগ্ধ করে। বিশেষ করে **সেলা পাস, যশবন্তগড়, জং ফলস এবং তাওয়াং** এই সফরের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ।
তাওয়াংয়ে রয়েছে ঐতিহাসিক **তাওয়াং মঠ**, স্থানীয় হস্তশিল্প, যুদ্ধ স্মৃতিসৌধ এবং পাহাড়ি শহরের মনোরম পরিবেশ। ইচ্ছুক পর্যটকদের জন্য অতিরিক্ত খরচে **P.T. Tso, সাংস্টার লেক ও বুমলা পাস** ভ্রমণের সুযোগ এই সফরকে আরও রোমাঞ্চকর করে তোলে।
অরুণাচলের পাহাড়ি সৌন্দর্য উপভোগ করার পর সফরের শেষ পর্বে আমরা পৌঁছে যাই **কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যানে**। এখানে পর্যটকরা নিজেদের খরচে এলিফ্যান্ট সাফারি অথবা জিপ সাফারির মাধ্যমে কাজিরাঙ্গার বন্যপ্রাণ ও প্রাকৃতিক পরিবেশ উপভোগ করতে পারেন।
✨ কেন এই ট্যুরটি বিশেষ আকর্ষণীয় ...?
🏔️ অরুণাচলের অপূর্ব পাহাড়ি সৌন্দর্য
❄️ সেলা পাসের মনোমুগ্ধকর পরিবেশ
🛕 ঐতিহাসিক তাওয়াং মঠ ও স্থানীয় সংস্কৃতি
🌊 জং ফলস ও পাহাড়ি হ্রদের সৌন্দর্য
🏞️ দিরাং ও বোমডিলার শান্ত পরিবেশ
🐘 কাজিরাঙ্গার রোমাঞ্চকর জঙ্গল অভিজ্ঞতা
🙏 গুয়াহাটির কামাখ্যা মন্দির দর্শন
🚐 আরামদায়ক AC Tempo Traveller-এ দলগত ভ্রমণ
🍽️ খাবার ও হোটেলসহ পরিকল্পিত ট্যুর ব্যবস্থাপনা
❤️ আমাদের প্রতিশ্রুতি
মনোরঞ্জন হলিডেজ -এর লক্ষ্য শুধুমাত্র একটি গন্তব্যে নিয়ে যাওয়া নয়; বরং পুরো ভ্রমণটিকে সুন্দর, নিরাপদ, আরামদায়ক এবং স্মরণীয় করে তোলা।
সঠিক পরিকল্পনা, নির্ধারিত ভ্রমণসূচি, আরামদায়ক পরিবহন, হোটেল ও খাবারের সুব্যবস্থা এবং অভিজ্ঞ ট্যুর ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে আমরা চেষ্টা করি প্রতিটি পর্যটকের জন্য একটি **ঝামেলামুক্ত ও আনন্দময় ভ্রমণ অভিজ্ঞতা** তৈরি করতে।
🌿 পাহাড়ের ডাক, মেঘের হাতছানি আর জঙ্গলের রোমাঞ্চ—
গুয়াহাটি – অরুণাচল – কাজিরাঙ্গা ট্যুর হতে পারে আপনার পরবর্তী স্মরণীয় ভ্রমণ।
**আজই আপনার আসন বুক করুন এবং আমাদের সঙ্গে শুরু করুন অরুণাচলের পথে এক অসাধারণ যাত্রা।**
বিকেল ৩:৫৫ মিনিটে হাওড়া স্টেশন থেকে সরাইঘাট এক্সপ্রেসে যাত্রা শুরু হবে। ট্রেনে উঠে নির্দিষ্ট আসনে বসে আমাদের অরুণাচল অভিযানের সূচনা।
আজকের রাতটি ট্রেনেই অতিবাহিত হবে।
রাত্রিবাস: ট্রেনে।
সকালে গুয়াহাটি পৌঁছে হোটেলে যাব এবং ফ্রেশ হয়ে হোটেলে চেক-ইন সম্পন্ন করব। দুপুরের খাবারের পর যাব কামাখ্যা মন্দির দর্শনে।
মায়ের দর্শন ও পূজা সম্পন্ন করে সন্ধ্যায় হোটেলে ফিরে বিশ্রাম।
রাত্রিবাস: গুয়াহাটি।
প্রাতঃরাশের পর গাড়িতে করে অরুণাচল প্রদেশের প্রবেশদ্বার ভালুকপং-এর উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হবে।
পাহাড়ি পথ ও মনোরম প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে করতে বিকেলের মধ্যে ভালুকপং পৌঁছনোর আশা করা যায়। হোটেলে চেক-ইন করে বাকি সময় বিশ্রাম।
রাত্রিবাস: ভালুকপং।
প্রাতঃরাশের পর দিরাংয়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হবে।
অরুণাচল প্রদেশে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় ILP (Inner Line Permit)-এর কাজ সম্পন্ন করা হবে। এরপর পথে -
🌺 টিপ্পি অর্কিডারিয়াম
🛕 আপার মনাস্ট্রি
🐍 নাগ মন্দির
ইত্যাদি দর্শন করে ধীরে ধীরে দিরাংয়ের দিকে এগিয়ে যাব।
সন্ধ্যায় দিরাং পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন ও বিশ্রাম।
রাত্রিবাস: দিরাং।
প্রাতঃরাশের পর শুরু হবে আমাদের বহু প্রতীক্ষিত তাওয়াং যাত্রা।
পথে অতিক্রম করব অরুণাচলের অন্যতম আকর্ষণ সেলা পাস। পাহাড়ের অপূর্ব সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে যাত্রা চলবে।
পথে যশবন্তগড় ওয়ার মেমোরিয়াল দর্শন করব এবং সুবিধামতো পথে দুপুরের খাবার সম্পন্ন করব।
সন্ধ্যার মধ্যে তাওয়াং পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন।
রাত্রিবাস: তাওয়াং।
প্রাতঃরাশের পর শুরু হবে তাওয়াংয়ের স্থানীয় দর্শন।
আজ আমরা ঘুরে দেখব -
🛕 তাওয়াং মঠ
🧶 হস্তশিল্প কেন্দ্র
🪖 তাওয়াং ওয়ার মেমোরিয়াল
🏔️ তাওয়াংয়ের অন্যান্য স্থানীয় দর্শনীয় স্থান
দুপুরের খাবারের জন্য হোটেলে ফিরে আসব।
বিকেলটি রাখা হয়েছে সম্পূর্ণ আপনাদের জন্য। ইচ্ছা করলে পায়ে হেঁটে তাওয়াং শহর ঘুরে দেখতে পারেন এবং স্থানীয় বাজার থেকে বিভিন্ন স্মারক ও সামগ্রী কেনাকাটা করতে পারেন।
রাত্রিবাস: তাওয়াং।
প্রাতঃরাশের পর ইচ্ছুক পর্যটকরা P.T. Tso ও সাংস্টার লেক ভ্রমণে যেতে পারেন। চাইলে অতিরিক্ত খরচে বুমলা পাস (চীন সীমান্ত)-ও ঘুরে আসার সুযোগ থাকবে।
বুমলা পাস, P.T. Tso ও সাংস্টার লেক ভ্রমণ সম্পূর্ণ ঐচ্ছিক এবং এর সমস্ত অতিরিক্ত খরচ পর্যটককে নিজে বহন করতে হবে।
দুপুরের খাবারের জন্য হোটেলে ফিরে আসব। সন্ধ্যাটি আপনাদের নিজেদের মতো করে কাটানোর জন্য সম্পূর্ণ ফ্রি থাকবে।
রাত্রিবাস: তাওয়াং।
প্রাতঃরাশের পর বোমডিলার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হবে।
পথে জং (Jung) ফলস দর্শন করব। পাহাড়ি রাস্তা ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে আবার সেলা পাস অতিক্রম করে বোমডিলার দিকে এগিয়ে যাব।
বোমডিলা পৌঁছে সময় ও পরিস্থিতি অনুযায়ী -
🛕 বোমডিলা মঠ
🛍️ স্থানীয় বাজার
পরিদর্শন করব।
রাত্রিবাস: বোমডিলা।
প্রাতঃরাশের পর কাজিরাঙ্গা জাতীয় উদ্যানের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু হবে।
পাহাড় ছেড়ে এবার আমরা প্রবেশ করব অসমের বিখ্যাত বন্যপ্রাণের রাজ্যে - কাজিরাঙ্গা।
কাজিরাঙ্গা পৌঁছে হোটেলে চেক-ইন করে বিশ্রাম।
রাত্রিবাস: কাজিরাঙ্গা।
খুব ভোরে ইচ্ছুক পর্যটকরা এলিফ্যান্ট সাফারি উপভোগ করতে পারেন। চাইলে নির্ধারিত সময় ও উপলব্ধতা অনুযায়ী জিপ সাফারি-ও করা যাবে।
(সাফারি সম্পূর্ণ নিজ খরচে)
সাফারি শেষে হোটেলে ফিরে প্রাতঃরাশ ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করে চেক-আউট করব। এরপর দুপুরের খাবার সেরে গাড়িতে করে গুয়াহাটির উদ্দেশ্যে রওনা হব।
গুয়াহাটি পৌঁছে আমাদের গাড়ি থেকে নেমে ট্রেন ধরার প্রস্তুতি। এরপর ট্রেনে কলকাতার উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু।
আজকের রাত: ট্রেনে।
সকালে কলকাতায় পৌঁছে শেষ হবে আমাদের এই সুন্দর ভ্রমণ।
পাহাড়, মেঘ, মঠ, নদী, হ্রদ, জঙ্গল ও অসংখ্য আনন্দময় মুহূর্তের স্মৃতি সঙ্গে নিয়ে আমরা বাড়ি ফিরব।
এই সফর শেষ হলেও, ভ্রমণের স্মৃতিগুলো থেকে যাবে আজীবন। ❤️
Package Inclusions
Package Exclusions
Booking Policy
Cancellation Policy
Terms & Conditions
বিশেষ নির্দেশিকা :
- পাহাড়ি অঞ্চলের আবহাওয়া ও রাস্তার পরিস্থিতির উপর ভ্রমণসূচি অনেকাংশে নির্ভরশীল।
- প্রাকৃতিক দুর্যোগ, ভূমিধস, ভারী বৃষ্টি, তুষারপাত, রাস্তার অবস্থা, প্রশাসনিক নির্দেশ অথবা অন্য কোনো অনিবার্য পরিস্থিতির কারণে প্রয়োজনে ভ্রমণসূচিতে পরিবর্তন আনা হতে পারে।
- বুমলা পাস, P.T. Tso, সাংস্টার লেক ইত্যাদি উচ্চ পার্বত্য অঞ্চলের ভ্রমণ আবহাওয়া ও প্রশাসনিক অনুমতির উপর নির্ভরশীল।
- উচ্চতাজনিত কারণে কোনো পর্যটকের শারীরিক অসুবিধা হলে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
- ভ্রমণ চলাকালীন সকল পর্যটককে ট্যুর ম্যানেজার/গাইডের নির্দেশ মেনে চলার জন্য অনুরোধ করা হচ্ছে।